রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) পর্দা উঠেছে ৫০তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। যেখানে বাজিমাত করেছে অস্কারজয়ী চীনা নির্মাতা ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’। মর্যাদাকর পিপলস চয়েস পুরস্কার জিতেছে সিনেমাটি।
হ্যামনেট নির্মিত হয়েছে ম্যাগি ও’ফ্যারেলের একই শিরোনামের আলোচিত একটি উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে। এতে ফুটে উঠেছে কিংবদন্তি লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ও তাঁর স্ত্রী অ্যান হ্যাথওয়ের (অ্যাগনেস) পারিবারিক জীবন, যখন তাঁরা তাঁদের ছোট ছেলেকে নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করছেন। গল্পটি বাস্তবঘেঁষা, তবে কাল্পনিক। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসি বাকলে ও পল মেসক্যাল।
অন্যদিকে, এবারের উৎসবে যৌথভাবে রানার্সআপ হয়েছে গিয়ের্মো দেল তোরোর ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ এবং রেইন জনসন পরিচালিত ‘হুডুনিট’র সিক্যুয়েল ‘ওয়াক আপ ডেড ম্যান: আ নাইভস আউট মিস্ট্রি’। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো চালু হওয়া আন্তর্জাতিক পিপলস চয়েস পুরস্কার জিতেছে পার্ক চ্যান-উকের ডার্ক কমেডি থ্রিলার ‘নো আদার চয়েস’। প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে ‘দ্য রোড বিটুইন আস: দ্য আল্টিমেট রেসকিউ’।
উল্লেখ্য, টরন্টো উৎসবের পিপলস চয়েস পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি বিগত এক যুগ (২০১১-২০২৩) ধারাবাহিকভাবে অস্কারেও দাপট দেখিয়েছে, তা হতে পারে সেরার মুকুট জয় কিংবা মনোনয়ন। তবে গত বছর ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে, ৪৯তম আসরে পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘দ্য লাইফ অব চাক’ সিনেমাটি অস্কারে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। এমনকি বক্স অফিসেও সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়।
এর আগে ২০২০ সালে টরন্টো উৎসবে পিপলস চয়েস পেয়েছিল ক্লোয়ি ঝাওয়ের ছবি ‘নোম্যাডল্যান্ড’, যা অস্কারে ৬টি বিভাগে মনোনয়ন লাভ করে। শেষ পর্যন্ত সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক ও সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও উঠে এই ছবির ঘরে।
এখন আগামী অস্কারে হ্যামনেট’র ভাগ্যে কী ঘটছে, সেটিই দেখার পালা।