গতকাল (১৯ অক্টোবর) মধ্যরাতে জানা যায়, মারা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনি কিশোর।
রাজধানীর রামপুরার নিজ বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিল্পীর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতাঙ্গনে। পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, মৃত্যুটা হয়তো হয়েছে আরো চার-পাঁচ দিন আগে।
এদিকে মারা যাওয়ার পর গায়কের মরদেহ কী করতে হবে, তিনি তা বলে গিয়েছিলেন একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে। বর্তমানে শিল্পীর মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। সেখান থেকে তার পরিবারকে তিনি জানিয়েছেন, বাবার শেষ ইচ্ছের কথা। মনি কিশোর মেয়েকে বলে গেছেন তার মৃত্যুর পর যেন ইসলাম ধর্মমতে তাকে দাফন করা হয়।
মনি কিশোরের বড় ভাই অশোক কুমার বলেন, ‘নিন্তি জানিয়েছে তার বাবাকে যেন দাফন করা হয়। এমনটাই নাকি ওর বাবা ওকে বলে গিয়েছিল। যেহেতু মেয়েকে বলে গিয়েছে, তাই তার ইচ্ছায় দাফন করা হবে।’
তিনি এও জানান, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে মনি কিশোরের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
এরপর ওরাই সিদ্ধান্ত নেবে, কোথায় মরদেহ দাফন করা হবে? তবে নিন্তির অনুরোধ, তার বাবাকে যেখানেই কবর দেওয়া হোক, সেখানে যেন একটা চিহ্ন রাখা হয়। সে যেন বাবার কবরটা খুঁজে পায়।
শিল্পীর ভাই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা অশোক কুমার মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মনি কিশোর হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্ট রোগে ভুগছিলেন।