হাঁটা শরীর চর্চার একটি অংশ। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শরীরের জন্য উপকারও হয়। নিয়মিত হাঁটার ক্ষেত্রে ৬-৬-৬ নিয়ম মানলে শারীরিকভাবে আপনি সুস্থ থাকবেন।
সারা দিন মানুষ অনেক ব্যস্ত সময় কাটায়। এ কারণে দিনের কোন সময় শরীরচর্চা বা হাঁটাহাঁটি করবেন তা নিয়ে দ্বিধার মধ্যে থাকেন। সে ক্ষেত্রে ৬-৬-৬ নিয়ম মানলে আপনার অনেক কাজ সহজ হয়ে যাবে।
এই নিয়মে হাঁটার অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন জীবনে রুটিন থেকে বের করা সম্ভব। হাঁটার ক্ষেত্রে এ নিয়মে সকাল ৬টায় ৩০ মিনিট, আর সন্ধ্যা ৬টায় হাঁটতে হবে। আর ৬ মিনিট বরাদ্দ থাকে ওয়ার্ম আপ এবং কুল ডাউন করার জন্য।
সকাল ও সন্ধ্যায় এই নিয়মে হাঁটলে সারাদিনে কাজের একটা ছন্দ পাবেন। এতে সতেজ থাকবেন সারাদিন। সকালের মুক্ত বাতাসে আর সন্ধ্যার নির্মল বাতাসে হাঁটলে মনে প্রশান্তি আসবে। এতে আপনি মানসিকভাবেও সুস্থ থাকবেন।
সন্ধ্যায় হাঁটলে আপনি সারাদিনের কাজের প্রেশার থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। সকালে ৩০ মিনিট হাঁটলেন, এরপর সন্ধ্যা ৬টায় ৩০ মিনিট হাঁটুন। এর পরে ৬ মিনিটের জন্য নিজেকে কুল ডাউন করুন। এতে আপনার হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। সূর্যাস্তের এই সময় প্রকৃতি অনেক শান্ত থাকে। এই সময় পাখিরা ঘরে ফিরে যায়। প্রকৃতিতে এক ধরণের শীতলতা বিরাজ করে। তাই সন্ধ্যার সময় হাঁটলে শরীরের ক্লান্তি দূর হবে। আবার সন্ধ্যায় হাঁটলে আপনার রাতের ঘুমও ভালো হবে।
হাঁটলে শরীরের অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি বের হয়ে যাবে। এতে আপনার হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি থাকবে না। পাশাপাশি ওজন নিয়ে আপনাকে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি আপনার পেশী শক্তিশালী হবে। পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা লাঘব হবে। আবার মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হবে। পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হবে এবং রাতের ঘুম ভালো হবে। তবে ধীরেসুস্থে নয়, হাঁটতে হবে দ্রুত। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে হাঁটার ক্ষেত্রে ৬-৬-৬ নিয়ম মেনে চলুন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া