জুলাইয়ের ১৬ দিনেই হাম আক্রান্ত ও উপসর্গ পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ২০০। আর এই কদিনে রোগটির প্রাদুর্ভাবে প্রাণ গেছে ৬১ জনের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা ও ভিটামিন এ কর্মসূচি সম্পন্ন হলেও রোগের প্রাদুর্ভাব না কমা অস্বাভাবিক। ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে যারা এখনো টিকা পায়নি, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দিতে হবে।
পাশাপাশি মা ও শিশুকে অপুষ্টি থেকে রক্ষা করতে না পারলে মিলবে না সুফল।
অতি সংক্রমাক হামের প্রকোপ শুরু ১৫ মার্চ। বৃহস্পতিবারও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮ জন। এ নিয়ে ৪ মাসে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭৭৯। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, একদিনে ৯৭৪ জনের শরীরে রোগের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আর হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯৭ জন।
এ নিয়ে মোট রোগী বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ১০৪ জন আর উপসর্গ পাওয়া গেছে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮ জনের শরীরে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৯৭ হাজার ৮১৯ জন। আর চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন।
টিকাদান ও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোসহ নানা কর্মসূচির পরও কমানো যায়নি সংক্রমণ। তাই এখন থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কে এম মজিবুল হক বলেন, ‘জনসচেতনতা বাড়ানো পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দিতে হবে। হামের উপসর্গ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।’
হামের উপসর্গ দেখা দিলেই অবহেলা না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিভাগের।