ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়াল ২৪৫ জনে। একদিনে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৮ জন।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯ হাজার ৬২০ জন। ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৭১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এছাড়া, বিভাগ-ভিত্তিক হিসাবে বরিশালে ২১২, চট্টগ্রামে ৩৪৩, খুলনায় ২৪৮, ময়মনসিংহে ১০২, রাজশাহীতে ২১১, রংপুরে ৯৯ এবং সিলেটে ১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এদিকে, বছরের প্রথম সাত মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগী দ্বিগুণ। মৃত্যু কয়েকগুণ। রোগীর চাপ সামলাতে পারছে না হাসপাতালগুলো। চট্টগ্রাম শহর তো বটেই, বিভাগের অন্য জেলা থেকেও আসছে রোগী। সরকারি হাসপাতালে এক শয্যায় দুজন কিংবা বারান্দা-মেঝেতে রেখেও চিকিৎসা চলছে। রোগী ভর্তি করাতে স্বজনদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে কয়েকদিন।
এটি চট্টগ্রাম মেডিকেলের ডেঙ্গু ওয়ার্ড। শয্যা ছাড়িয়ে রোগীর জায়গা হয়েছে মেঝে আর বারান্দায়। সেখানেও যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই অবস্থা। সুস্থ হওয়া এবং নতুন আক্রান্তের পার্থক্য বিস্তর। তাই নতুন কাউকে ভর্তি করাতে, অপেক্ষা করতে হচ্ছে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন। বেসরকারি হাসপাতালের অবস্থাও প্রায় একই।
চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে চার হাজার। এটি সরকারি তথ্য। বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ বলে মনে করেন অনেকে। নগরীতে ডেঙ্গুর হটস্পট ৮টি। সীতাকুণ্ড ও হাটহাজারীতেও বাড়ছে রোগী। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলা এবং ফেনী-নোয়াখালী থেকেও চিকিৎসা নিতে আসছেন অনেকে।