খাবার কতটা নিরাপদ তা পরীক্ষার জন্য নিজস্ব ল্যাবরেটরিই নেই নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের। প্রতি বছর দেশে বিপুল খাদ্যপণ্য আমদানি হলেও তার মান যাচাই করার সক্ষমতা নেই সংস্থাটির। এ অবস্থায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।
সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে এক সেমিনারে এসব কথা জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান। আর টেকসই সুফল পেতে সবার সহযোগিতা চাইলেন খাদ্য উপদেষ্টা।
২০১৫ সালে গঠন করা হয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। গবেষণা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমদানি, রপ্তানি ও দেশে উৎপাদিত খাদ্য নিরাপদ করা সংস্থাটির কাজ। তবে প্রতিষ্ঠার ১১ বছরেও সেই কাজ সঠিকভাবে করতে পারছে না তারা। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসের এই সেমিনারে উঠে আসে নানা সীমাবদ্ধতার কথা।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. জাকারিয়া বলেন, সংস্থাটির চেয়ারম্যান বলেন, কাজ করার অনেক সুযোগ থাকলেও নানা কারণে তা কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষ জনবলের অভাবের পাশাপাশি নেই মান নিয়ন্ত্রণের জন্য নিজস্ব ল্যাবরেটরি। পর্যাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় নিয়মিত ভেজালবিরোধী অভিযানও চালানো যাচ্ছে না।
মো. জাকারিয়া বলেন, ‘কোন ফাকে কি ভেজাল আসে আমরা সেটাও জানি না। খাবের রং নির্নয় করতে পারি না। দু একটি খাদের রং যাচাই করতে পারলেও অধিকাংশ খাবারের রং টেস্ট করার পদ্ধতি এখনও আমাদের নেই। আমি অনুরোধ করব, ভেজাল শনাক্তের পদ্ধি বৃদ্ধি করতে হবে।’
ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে জোর দেন খাদ্য উপদেষ্টা। সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদও দেন তিনি।
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘আমাদের যেকোনো খাদ্যের নিরাপদ থাকে সে ব্যবস্থা আমাদের নিজেদেরকেই করতে হবে, এটি অন্য কেউ সেটা করে দেবে না।’
এ সময় নিরাপদ খাবার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সঠিক গবেষণার আহ্বানও জানান এই উপদেষ্টা।