শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রোববার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে। শুক্রবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে আসা ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। একই দাবিতে শুক্রবার জুমার পর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল সংগঠনটি।
বিকাল ৪টার দিকে সেই জমায়েত থেকে যমুনা অভিমুখে রওনা হলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে মঞ্চের নেতাকর্মীদের, রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের এলাকা। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শাহবাগ থেকে বাংলামোটর পর্যন্ত। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটার পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এর মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর দেওয়া হয়। যেটির বরাতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর পুলিশ তা অস্বীকার করে বার্তা পাঠায়।
পুলিশের মতো একই বক্তব্য এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফেও। রাতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।’
বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধরনের যে অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, তা সঠিক নয়।