ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের শপিং ব্যাগের বিপরীতে দাম নেওয়ার সমালোচনায় এবার প্রশ্ন তুললেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে এ বিষয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন তিনি।
আব্দুন নূর তুষার লেখেন, কোনো দোকান ফ্রি ব্যাগ দেয় না। মিষ্টির বাকসো ফ্রি না। আপনি এক কেজি মিষ্টি কেনা মানে কমপক্ষে ষাট থেকে আশি গ্রাম বাকসো কিনছেন মিষ্টির দামে। যত দামী মিষ্টি ও যতো কম কিনবেন - বাকসের দাম ততো বেশি। চারশ টাকা কেজি মিষ্টি হলে বাকসোর দাম চল্লিশ টাকা। এবার আসেন আড়ংয়ে। আড়ং এর কাগজের ব্যাগ পনেরো টাকা। এটা নিয়ে অনেক গ্রাহক হল্লা করছেন। আড়ং সহজেই ব্যাগের দাম অন্য দোকানের মতো কাপড়ের দামের সাথেই নিতে পারতো। সেটা হয়তো তারা নেয়। কারণ নিজের ব্যাগ আনলে তারা পনেরো টাকা ক্যাশব্যাক করে। অথবা হয়তো তারা নিজের পকেট থেকে এটা দিয়ে দেয়। প্রশ্ন হলো আড়ং কি ব্যাগ না দিয়ে কার্বন ট্রেড করে? বা কোনো বৈশ্বিক জলবায়ু বিষয়ক তহবিল পায়? পেলে সেটা বলা উচিত ও কখনোই ব্যাগ দেয়া উচিত না। আড়ং কাউকেই ব্যাগ দেবে না।
ব্যাগে ব্র্যান্ড লোগো থাকা নিয়ে আব্দুন নূর তুষার লেখেন, যদি টাকা দিয়ে ব্যাগ দেয় তবে সেখানে ব্র্যান্ড লোগো ব্যবহার না করে আড়ং লিখে দিতে পারে– পরিবেশের জন্য কাগজের ব্যাগ ক্ষতিকর কারণ এটি তৈরিতে গাছ কেটে ফেলতে হয়। তবে টাকা দিয়ে ব্যাগ নিলে লোগো থাকবে কেন এটা যারা বলেন তারা টাকা দিয়ে গাড়ী কিনলে কেনো সেখানে টয়োটা লেখা থাকে বা টাকা দিয়ে জুতা কিনলে কেনো সেখানে নাইকি এডিডাস কেনো লেখা থাকে এটা নিয়েও প্রশ্ন করতে পারেন।
এদিকে শপিং ব্যাগের মূল্য নেওয়ার সমালোচনার জবাব দিয়েছেন আড়ংয়ের মূল প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। তিনি জানিয়েছেন, যে মূল্য নেওয়া হয়, এর যৌক্তিক কারণ রয়েছে। এই অর্থ ব্যয় হবে একটি নতুন গাছ লাগানোর পেছনে। আর পুরোনো জিনিস রিইউজকে উৎসাহিত করা ও নতুন ব্যাগ ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য এই ব্যবস্থা।