রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আর আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এদিকে, জাতীয় ঈদগাহ ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ডিএমপি। নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা।
পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম সাধনার পর উৎসবের আমেজে দেশজুড়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারও সেজেছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। তবে ২০২৬ সালের এই জামাত পাচ্ছে ভিন্ন মাত্রা।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘এবারের ঈদের নামাজ ঐতিহাসিক হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ আদায় করবেন। ওযুর ব্যবস্থা থাকবে। বৃষ্টি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।’
ঈদগাহে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রোদ কিংবা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে পুরো ময়দান প্যান্ডেলে ঢাকা হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নামাজ পড়বেন। ৩৫ হাজার মানুষের জন্য ব্যবস্থা আছে। মন্ত্রী পরিষদের সদস্যসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। প্রবেশের সময় অল্প কিছু গেইট খোলা থাকবে, নামাজ শেষে বাকি সব গেইট খোলা থাকবে।’
ডিএমপি জানিয়েছে, এবার ঢাকা মহানগরীতে ১ হাজার ৭৭১টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আর জাতীয় ঈদগাহে থাকছে কয়েকস্তরের নিরাপত্তা।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, ‘এক হাজার ৭৭১টি জামাত মহানগরে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহসহ পুরো রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবার জাতীয় ঈদগাহে নারী-পুরুষসহ ৩৫ হাজার মানুষ অংশ নিতে পারবে ঈদের জামাতে। জাতীয় ঈদগাহর চারপাশে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হবে।’
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঈদের দিন ৮ থেকে ৯ মিলিমিটার বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে ২৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে জাতীয় ঈদগাহের জামাত বায়তুল মোকাররম মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে, সকাল ৯ টায়।
ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে প্রধান জামাত। ভিআইপি ও সাধারণ মুসল্লিদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা প্রবেশ পথ। এছাড়া জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় থাকবে মেডিকেল টিম।
বৃহস্পতিবার রাতে দেশের আকাশে চাঁদ দেখা না যাওয়ায়, শনিবার ২১ মার্চ এবার ঈদুল ফিতর অনুষ।ঠিত হবে। এ উপলক্ষে এরই মধ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ছুটি চলবে ২৩ মার্চ পর্যন্ত।