হাওর অঞ্চলের চরম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় সরকার তহবিল বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। তিনি বলেন, ‘সরকার প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকার জেলা প্রশাসন ও কৃষি অধিদপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে এবং যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।’
মন্ত্রী জানান, যেসব বেড়িবাঁধ ভেঙে হাওর প্লাবিত হয়েছে, সেগুলো টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার কুমিল্লায় শহীদ ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর কুমিল্লা জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটি জাতীয়ভাবে সিলেট থেকে উদ্বোধন করা হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে ন্যায্যমূল্যে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এতে ইউনিয়নভিত্তিকভাবে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ করা গেলে তারা প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি লাভবান হবেন।’
তিনি বলেন, ‘হাওরের চরম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্তদেরও সহায়তার আওতায় আনতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে।’
এর আগে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষকের মর্যাদা বাড়লে দেশের মর্যাদাও বাড়বে।’
ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাশার ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, দৈনিক কুমিল্লার কাগজের সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয়সহ অন্যান্যরা।