ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ও ঐতিহাসিক স্থানে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্ক থেকে শুরু করে বরিশালের প্ল্যানেট পার্কের মতো বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদেও পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন বিনোদনপ্রেমী মানুষ।
নরসিংদীর পাঁচদোনার চৈতাবতে অবস্থিত ড্রিম হলিডে পার্কে ঈদের ছুটিতে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। এখানকার ওয়াটার পার্ক, সি ওয়ার্ল্ড, স্কাই ট্রেন, রোলার কোস্টারসহ ৪০টিরও বেশি রাইডে চড়ে আনন্দ উপভোগ করেন সব বয়সী মানুষ।
এক দর্শনার্থী বলেন, এখানে গোসল করা জন্য এসেছি। এইখানে এই ইভেন্টাই বেশি জনপ্রিয়।
আরেক নারী দর্শনার্থী বলেন, এইখানে প্রত্যেকটি রাইড আনন্দপূর্ণ। বিশেষ করে বাচ্চারা খুবই মজা করছে, সাথে সাথে বড়রাও খুব মজা করছে।
নরিসংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রবীর কুমার সাহা বলেন, ‘সমুদ্রের নিচে যে প্রাণীকূল বা জীবকূল বসবাস করে তারা সেখানে কীভাবে বসবাস করে সেটা এইখানে তুলে ধরা হয়েছে। এইখানে যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। আর প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে।’
একই রকম চিত্র বরিশালের প্ল্যানেট পার্কে। হাইড্রোলিক প্লেন, সুপার চেয়ার, ট্রেন ও প্যাডেল বোর্ডসহ বিভিন্ন রাইডে আনন্দে মেতে ওঠেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, স্বাধীনতা পার্ক ও কীর্তনখোলা নদীর তীরেও ছিল মানুষের ভিড়।
পার্কে আসা এক শিশু বলে, এইখানে অনেক রাইডে উঠেছি। অনেক ভালো লেগেছে।
এক দর্শনার্থী বলেন, ষাট গম্বুজ মসজিদের নাম আমরা টাকা, বইপুস্তকে সীমাবদ্ধ ছিলাম। আজ বাস্তবে দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুরে অবস্থিত গ্রীনপার্কেও ভিড় করেছেন নানা বয়সী মানুষ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পার্কের বিভিন্ন রাইডে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন জেলার প্রতিনিধিরা।