উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন সাত বারের এই সাবেক সাংসদ।
আজ বিকেলে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাঁর মা মরহুমা ফাতেমা আজাহার ও স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদের পাশে। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে।
পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের পাশাপাশি তোফায়েল আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। জেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে তাঁর নামাজে জানাজায় নামে মানুষের ঢল। এসময় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এর আগে আজ দুপুরে হেলিকপ্টারে তাঁর মরদেহ ভোলায় এসে পৌঁছালে তাঁকে শেষ বারের মতো দেখতে জমায়েত হয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ভোলার সাধারণ মানুষ। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তোফায়েল আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে মারা যান বর্ষীয়ান এই নেতা। এরপর সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া জামে মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ভোলা থেকে সাত বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়য়ের মন্ত্রী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।