মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকালে পুত্রাজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

এর আগে রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে কুয়ালালামপুরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

ভিভিআইপি টার্মিনালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তাঁর সহধর্মিণী। ছোট্ট শিশু মাইসা নুর আইশা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমানকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং ডেপুটি হাইকমিশনার সাহানারা মনিকা।

পরে বিমানবন্দর থেকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়ালালামপুরের শাংগ্রি-লা হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী এবং সফরসঙ্গীরা এ হোটেলেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম।

এ ছাড়া রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরপরই তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সেই আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এ আনুষ্ঠানিক সফর।

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন ও ভারতের পর বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার অন্যতম বড় বাণিজ্য সহযোগী দেশ। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে মালয়েশিয়া এগিয়ে রয়েছে। প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য সেই মালয়েশিয়াকেই বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকের পাশাপাশি উভয় দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন।

এ সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে পর্যটন ও সংস্কৃতিবিষয়ক সহযোগিতার দুটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হতে পারে।