জুলাই আন্দোলন 

হত্যার খবর প্রকাশ না করতে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে আওয়ামী লীগ

জুলাই আন্দোলনে হত্যার খবর প্রকাশ না করতে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে আওয়ামী লীগ সরকার। সেসব কার্যক্রমের প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালে। ফোনকলের রেকর্ড থেকে জানা যায়, সে সময়ের তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার বন্ধের নির্দেশনা দিতেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।  

এ সময় ওবায়দুল কাদেরকে মোহাম্মদ আলী আরাফাত জানান, আন্দোলনে সংঘর্ষের ফুটেজ প্রচার করলে আজীবনের জন্য টেলিভিশন বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। একই সাথে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষকেও সে নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চলা মামলায়, রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এ ফোনকলটি আদালতে শোনানো হয়। প্রসিকিউশন জানায়, বিভিন্ন ফোনকল থেকে প্রমাণিত হয়, সরকার খবর প্রচার ও ইন্টারনেট বন্ধ করে, হতাহত এবং দমন-পীড়নের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছে গোপন করতে কী ভূমিকা নিয়েছিল।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।