সংবিধানে মৌলিক সংশোধনের জন্য গণভোট হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধানে যে সব মৌলিক সংশোধন আসবে সেসবের জন্য গণভোট হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। রোববার সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা জানান কমিটির সভাপতি। বলেন, সংশোধনী জানুয়ারিতে সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে। সংসদে গৃহিত হলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগেই গণভোট হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে রোববার দুপুর আড়াইটার পর শুরু হয় সংবিধান সংস্কার বিষয়ক বিশেষ কমিটি ৩য় বৈঠক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিকরা। 

বৈঠকে, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানান, গণমাধ্যম কর্মীরা। আলোচনা হয়, সংবিধান সংস্কারে বিরোধী দলের উপস্থিতি নিয়েও। 

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, ‘আমরা বলেছি যে, বিরোধীদলকে সর্বোচ্চ আন্তরিকার সঙ্গে এই কমিটিতে যুক্ত করা যায় সেটার ব্যবস্থা করা হোক।’

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি বলেন, সংবিধানে মৌলিক সংস্কার হলে, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় নেয়া হবে। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি আমরা সংবিধানে এমন কিছু পরিবর্তন আনি তাতে প্রস্তাবনা আর্টিকেল ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪– এরমধ্যে যদি কোনো পরিবর্তন আসে, তাহলে এটার রেফারেন্ডাম দিতে হবে। জনগণের গণভোটে দিতে হবে। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের আগে গণভোটে দেবেন। এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। 

তিনি বলেন, এই সংশোধনীতে জুলাই সনদকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,  ‘‘এখানে প্রায়োরিটি হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। তবে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী যে বিষয়গুলোর ম্যান্ডেট পেয়েছি সেগুলো ধারণ করব। এখানে ‘মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা এবং বিশ্বাস’, এটা সংবিধানের প্রস্তাবনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধারন করেছিলেন।’’

বিরোধী দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করা তাদের পক্ষে সম্ভব না। তবে বৈঠকে অংশ নিতে তাদের বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে।