পরীক্ষা শুরুর মাত্র কয়েক মিনিট আগে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয় ঢাকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশ থেকে ঢাকায় পরীক্ষা দিতে আসা তিন লাখেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে। সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে দুপুরে ৫ দফা দাবি জানিয়ে সড়ক ছাড়ে শিক্ষার্থীরা। দাবির মুখে আগামী ১৬ অক্টোবর পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে অধিদপ্তর। আর প্রশ্নফাঁসে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি।
আজ শনিবার ঢাকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল ১১টায়। কিন্তু শুরুর ঠিক কয়েক মিনিট আগে তা স্থগিত করা হয়। জানানো হয়, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে পরীক্ষাটি।
এমন ঘোষণা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। সারাদেশ থেকে ৩ লাখের বেশি পরিক্ষার্থী অংশ নেন এই পরীক্ষায়।
এদিকে পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে মিরপুর বাংলা কলেজের সামনে সড়ক অপরাধ করেন তারা। এছাড়াও মতিঝিল, শাহবাগ ও মানিক মিয়া এভিনিউসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সড়ক অবরোধ করে পরীক্ষার্থীরা।
প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর সড়ক থেকে সড়ে যান তারা। এসময় পরীক্ষার্থীদের একটি দল মতিঝিলের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সামনে যান।
ভেতরে প্রবেশের বিষয়ে বেশ কিছুক্ষণ পুলিশের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় তাদের। পরে তিনজনের একটি প্রতিনিধি দল অধিদপ্তরের ভেতরে প্রবেশ করেন। যদিও ভেতরে তারা কোনো কর্মকর্তার দেখা পাননি। এসব ক্ষতিপূরণ ও প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ ৫ দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে ডিএমপি মতিঝিল জোনের এসি সাকিবুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীদেরকে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে।
পরে দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে ১৬ অক্টোবর পরীক্ষার নতুন তারিখের কথা জানায় অধিদপ্তর। অন্যদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জাতীয় যুব ও ক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে দেবে তদন্ত প্রতিবেদন।