চলতি বছরেই দুইবার জাতীয় সংসদের ভোট দিতে পাড়ায় খুশি স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে সন্তোষ প্রকাশ করছেন। সকালে ভোটারের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে থাকে তা বাড়তে থাকে।
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। ভোটারা নির্বিঘ্নে এসে ভোট প্রদান করছেন। ভোটারদের মাঝেও অনেক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।’
এদিকে ঠাকুরগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন। দেলায়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কিছু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট এ ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একাধিক অভিযোগ থাকলেও প্রশাসন যেন শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন।
আর এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ঘিরে জেলা নির্বাচন অফিস সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সাথে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য ও সাতজন পুলিশ সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও আনসার ব্যাটালিয়ন, বিজিবি ও এসআরবি সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপ নির্বাচনের নিরাপত্তায়।
আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এ আসনে মোট পাঁচটি দলের ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী রাষ্ট্রতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন। অন্যদিকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারি সেক্রেটারি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। এ ছাড়া নির্বাচনে রয়েছেন অন্যান্য দলের আরও তিন প্রার্থী।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ সুস্ঠু রয়েছে। আশা করি শান্তিপূর্ণভাবে এই নির্বাচন শেষ হবে। দীর্ঘদিন পরে ভোট প্রদান করছি অনেক ভালো লাগছে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, নির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করার জন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে বডি অন ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। ভোটারদের উৎসাহ উপস্থিতিও বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে।