গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি ক্ষতিকর নয়: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, ‘গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি শুধু বাংলাদেশ না সমগ্র পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত। এই প্রযুক্তি ক্ষতিকারক কিছু নয়। দ্রুত-পচনশীল কৃষিপণ্য পচন রোধ করে জীবাণুমুক্ত করার জন্য এই গামা ইরেডেশন প্রযুক্তি। আমরা এটা চালু করতে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আমের ইউরোপসহ বিশ্বব্যাপী চাহিদা রয়েছে। কিন্তু চাহিদা পূরণে আম রপ্তানি করতে হলে গুণগত মানের গ্যারান্টি থাকতে হবে। আর এই প্রযুক্তি সেই গ্যারান্টি দেবে।’

আজ শনিবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, এই সরকার আগামী দিনের কৃষি পণ্যকে এক নম্বর রপ্তানি পণ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। কৃষি শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতি উন্নত হবে। তাই পণ্য রপ্তানিতে আপনাদের সঠিক কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বিজ্ঞানী আমাকে বলেছেন–ক্যাপসিকয়াম, গাজর আমদানি বন্ধ করুন। আমরাও তাই চাই। যে দেশে সারা বছর কৃষি পণ্য উৎপাদন হয় সে দেশের জন্য কৃষি পণ্য আমদানি ভালো কথা না। আমরা আমদানি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’

পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন–গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধিসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (প্রশাসন) ড. শরীফুল হক ভূঁইয়া। পরে মন্ত্রী গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ চীনের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।