জাতীয় পরিচয়পত্রের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে নির্বাচনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। তাই এটি অন্য কোনো দপ্তরে না নেওয়ার দাবি কমিশনের কর্মকর্তাদের। রোববার দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা।
এ সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ইসির অধীনে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দাবি জানান ইসি কর্মকর্তারা।
এর আগে বিদায়ী কমিশন কে এম নূরুল হুদা এবং বর্তমান কমিশন কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে এক দফা স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তারা।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ইতোমধ্যে সিইসিকে এনআইডির বিষয়ে যুক্তিযুক্ত স্মারকলিপি দিয়েছি। কমিশন এ নিয়ে আলোচনা করেছেন আমাদের সঙ্গে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক সিইসি ও সচিবরা সবাই একবাক্যে বলেছিলেন, এনআইডি ইসির অধীনে রাখা যুক্তিযুক্ত। সেই ধারাবাহিকতায় স্মারকলিপি দিয়েছি। তারা আশ্বস্ত করেছেন, কমিশন সভা করে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এনআইডি অন্যত্র চলে গেলে নির্বাচনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। ইভিএমের মাধ্যমে যে নির্বাচন করতে চাচ্ছি, সেখানে সরাসরি এনআইডি ব্যবহার হয়। ডাটাবেজ অন্য কোথাও থেকে এলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
গেলো ১০ অক্টোবর, মন্ত্রিসভার বৈঠকে এনআইডির দায়িত্ব ইসির কাছ থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগকে দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এজন্য নতুন একটি আইন করার প্রক্রিয়াও চলছে।
/আর.এম/