১৭ বছর পর নির্বাচনে প্রার্থী খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের প্রথম

১৭ বছর পর কোনো জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সবশেষ ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। আর এবারই প্রথম কোনো জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এটি সম্ভাব্য হলেও প্রায় চূড়ান্ত তালিকা।

এবারের নির্বাচনে তিনটি আসনে বিএনপির হয়ে প্রার্থীতা করবেন খালেদা জিয়া। এগুলো হলো দিনাজপুর–৩, বগুড়া–৭ ও ফেনী–১। আর তারেক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বগুড়া–৬ আসন থেকে।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি বয়কট করেছিল। আর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুর্নীতির দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় খালেদা জিয়া এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। ব্যাপক কারচুপির অভিযোগের কারণে এটি ‘রাতের ভোটের নির্বাচন’ বলেও পরিচিত। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও বিএনপি বয়কট করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়ার নামে থাকা সব মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে খালাস পান। তারেক রহমানও তার নামে থাকা বিভিন্ন মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের কোনো বাধা নেই।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ২৩৭টি আসনে প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে বিএনপি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। এটি সম্ভাব্য তালিকা, তবে প্রায় চূড়ান্ত ধরে নিতে হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিলাম, তারা বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী দিতে পারেন বা আমরাও দিতে পারি। প্রয়োজনে যে কোনো সময় এই তালিকা পরিবর্তন করা হতে পারে।’

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে ভোট।