কুষ্টিয়ায় নানা কৌশলে মাঠে গণসংযোগে প্রার্থীরা

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নির্বাচনে বৈধতা পেয়েছেন ২৭ জন প্রার্থী। এরই মধ্যে আচরণবিধি মেনে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। তবে নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে দুশ্চিন্তায় অনেকে। প্রশাসন বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৎপর রয়েছে তারা। 

কুষ্টিয়ার ৪টি সংসদীয় আসনে ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে স্বতন্ত্রসহ ২৭ জনের। বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকায় বাতিল হয় ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হলেও বৈধ প্রার্থীরা কৌশলে মাঠে নেমে পড়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় অনেকে। 

কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘এবার নির্বাচন ভোটারদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা গেছে। বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।’ 

কুষ্টিয়া-৩ জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার বর্তমান যে পরিস্থিতি এর উন্নতি না হলে একটি সফল ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না।  তাই অতি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক করার মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’

ভোটারদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ, বলছেন সচেতন নাগরিকরা।  

কুষ্টিয়া সনাকের সভাপতি রফিকুল ইসলাম টুকু বলেন, ‘ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লে­য়িং ফিল্ড তৈরি করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এই বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার অপরিহার্য।’ 

তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি আচরণবিধি মানা হচ্ছে ক না তাও কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে।

কুষ্টিয়া রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘জেলার নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর ও স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে। সেই সাথে কোনো প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে কিনা সেটাও কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।’

কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে মোট ভোটার ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭১২ জন।