উত্তপ্ত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, সংঘর্ষে জড়াচ্ছে ছাত্র সংগঠনগুলো

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের স্থিতিশীলতার জন্য সব পক্ষকে সহনশীল আচরণ করতে হবে।

ফেসবুকে পোস্ট, অপতথ্য বা দেয়াল লিখন- এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ ও অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে।  এতে  আহত হয়েছে অনেকে।

এই অস্থিরতা নিয়ে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন। তবে কেন্দ্র থেকে সহনশীল আচরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

ছাত্রদলের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের গুপ্ত রাজনীতি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের কারণেই অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। তবে নেতাকর্মীদের কোন ষড়যন্ত্রে পা না দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি আহ্বান রইল তারা যেন সহনশীলভাবে রাজনীতি করে। তারা যেন গুপ্ত রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসে।’

ছাত্র শিবিরের পাল্টা অভিযোগ, ছাত্রদল ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে। এইজন্য সব ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বলেন, ‘কাম্পাসগুলোতে ছাত্রদের যেন নিরাপত্তা থাকে। কিন্তু কেন যেন কাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার জন্য হামলা চালানো হচ্ছে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে সবাই রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চায়। এই অবস্থায়  বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনা দুঃখজনক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘কাম্পাস যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের মধ্যে চলবে—এই বার্তাটা সব ছাত্র সংগঠনগুলোকে দিতে হবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে বলছে বিশ্লেষকরা।