স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠে জিয়ার চেয়ে নুরুল হকের ভূমিকা বেশি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার জন্য জিয়াউর রহমানের চেয়ে তৎকালীন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের বেয়ারা নুরুল হক বড় ভূমিকা রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সচিবালয়ে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠে নুরুল হকের ভূমিকা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা শুধু এম এ হান্নান নয় চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের বেয়ারা নুরুল হক নিজের জীবন বাজি রেখে মাইকিং করে সমস্ত শহরে বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এটা পাঠ করে শোনায়।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানতো চার দেয়ালের মধ্যে বসে প্রহরী পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় ২৭ মার্চ ঘোষণা পাঠ করেছে। নুরুল হক নিজের জীবন হাতে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন। ঘোষণা পাঠ করার জন্য যদি বাহবা দিতে হয় তাহলে নুরুল হক বাহবা পাওয়ার যোগ্য জিয়াউর রহমানের থেকে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেছেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান। আর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্কুলের দপ্তরি ঘণ্টা বাজায় কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে হেড মাস্টার কখন ছুটি হবে। সুতরাং দপ্তরিকে হেডমাস্টার বানানোর চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই।

তথ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করা বিএনপির নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, যাদের জন্ম অগণতান্ত্রিকভাবে ক্যান্টনমেন্টে আর ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে যে দলের জন্ম সে দলের নেতা যখন গণতন্ত্রের কথা বলে তখন মানুষ হাসে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন, ঘোষক নন। ঘোষণা পাঠ আরো অনেকে করেছেন।

/ই.হ/