চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৭ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৭ রানের টার্গেটে নেমে দারুণ লড়াইয়ে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে শেষ হয় স্বাগতিকদের নির্ধারিত ওভার। অজিদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হাতছাড়া হলো টাইগারদের।
সকালে টানা বৃষ্টি, মেঘলা আকাশেও টস জিতে কেন ব্যাটিং সে প্রশ্ন আসতে পারে! তবে ২ ওভারে ২৭, অস্ট্রেলিয়ার উড়ন্ত শুরু। তবে আকাশ থেকে মাটিতে নামতে সময় লাগেনি। নাসুম দিয়ে শুরু, রানা ও মুস্তাফিজ তাদের প্রথম ওভারে উইকেট নেন। ইংলিশ, কোনলি ও মার্শ ফিরলেন। পাওয়ার প্লে শেষ হলো ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে। কি দুর্দান্ত ২ ক্যাচ সাইফের।
যতই চাপে থাক দলের নাম অস্ট্রেলিয়া, যেকোন সময় যেকোনোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। সেটায় করেছে, ১০ রানরেট রেখে ব্যাট করেছেন। রিয়াদ সাকলাইনের বলে বেশি অগ্রাশই হয়েছেন ডেভিড ও রেনশও। রিশাদকে টানা ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে ২৭ বলে ফিফটি তুলে নেন রেনসও।
ডেভিডকে সাকলাইন যখন ফেরান তখন অস্ট্রেলিয়া ১৪০ পার করেছে। পার্টনারশিপ আসে ৫০ বলে ৯৭ রান।
রানের চাকা সচল রাখেন রেনশো। তার অপরাজিত ৮৯ রানে ১৯৬ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় অজিরা।
টার্গেটে নেমে ঝড় শুরু বাংলাদেশের ১৩ বলে আসে ৩৭ রান। ওপেনিং জুটিতে ২২ বলে ৪৮ রান।
তামিমের ২০০ রানের স্ট্রাইক রেটের ইনিংস শেষ হয়, অপ্রত্যাশিত আউট।
সৌম্য সাইফ রানের চাকা সচল রাখেন। পাওয়ার প্লে শেষ রান ১ উইকেটে ৭২। জয়ের ভিত পেয়ে যায় বাংলাদেশ।
সৌম্য ১৫ করে আউট হলেও, ইমন সাইফ জুটি গড়েন। ১০ ওভার বাংলাদেশ তুলে ফেলে ১০৩ রান।
২২ বলে ৩৬ করে ইমন ফিরলেও, ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ৪১ বলে ৬৩ রানের সমীকরণ দাঁড়ায় বাংলাদেশের। এমন ব্যাটিং উইকেটে যা কঠিন কিছু না।
২৪ বলে দরকার ৪৪ রান, শামীম হৃদয় উইকেটে। সব চাপ অজিদের উপর। শামীম ফিনিশ করতে পারলেন না, ম্যাচে ফিরতে দিলেন ওদের। সাকলাইন উইকেটে এসে হতাশ করলেন চরমভাবে। একের পর এক বল নষ্ট করলেন ১১ বলে এমন সময়ে করলেন ১৩। হৃদয়ের চেষ্টা শেষ হলে বাংলাদেশ হারে ৭ রানে। টানা ২ হারে সিরিজ হার নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের।