তামিমদের বিপক্ষে যা হলো, বিপিএল এমন কিছু আর কখনো দেখেনি

তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল কি বিপিএলের শিরোপাটা জিততে পারবে? জানতে অপেক্ষা আর সর্বোচ্চ ঘণ্টা দেড়েকের। তবে তামিমদের কাজটা যে খুব সহজ নয়, সেটা আর বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। বিপিএল ফাইনালে আজ আগে ব্যাট করে যে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৪ রান তুলেছে চিটাগং কিংস!

শেষ পর্যন্ত যদি শিরোপা চিটাগংয়ের ঘরেই যায়, সে পথে সবচেয়ে বড় কৃতিত্বটা পাবে তাদের উদ্বোধনী জুটি। পারভেজ হোসেন ইমন ও পাকিস্তান খাজা নাফির উদ্বোধনী জুটি আজ বিপিএল ফাইনালে যা করেছেন তামিম ইকবালের দলের বিপক্ষে, এমনটা বিপিএল ইতিহাসে আর কোনো ফাইনালেই হয়নি।

১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে খাজা নাফির বিদায়ে শেষ পর্যন্ত ১২১ রান করে তবেই থেমেছে চিটাগংয়ের উদ্বোধনী জুটি। তাতেই রেকর্ড – বিপিএলের আর কোনো ফাইনাল যে এর আগে শতরান পেরোনো উদ্বোধনী জুটি দেখেনি। আগের সর্বোচ্চ ছিল গত বছরই বরিশালের হয়েই ইনিংস উদ্বোধনে তামিম ও মেহেদি হাসান মিরাজের ৭৬ রানের জুটি।

সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উদ্বোধনী জুটির রেকর্ডটা অবশ্য আরও দূরে – ২০১১ আইপিএল ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাইকেল হাসি ও মুরালি বিজয়ের ১৫৯ রানের জুটি।

ইমন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। ছবি: সংগৃহীত

মিরপুরে আজ পাওয়ার প্লে-তেই চিটাগংকে ৫৭ রান এনে দেন ইমন-নাফি। ১১তম ওভারের শেষ বলে জুটির ও দলের রান ১০০-ও হয়ে যায়। তার আগেই অবশ্য ৩০ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি হয়ে যায় ইমনের (৬ চার ২ ছক্কায়)। আর দলের ১০০ পেরোনোর কিছুক্ষণ পর ফিফটি হলো নাফির – তাঁর বল লাগল ৩৭টি, তিনিও ফিফটির পথে চার মেরেছে ৬টি, ছক্কা ২টি।

১৩তম ওভারের চতুর্থ বলে নাফি ৪৪ বলে ৬৬ রান করে আউট হলে ভাঙে রেকর্ডগড়া এই জুটি। তবে ইমন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন, চিটাগংকে ২০০ ছুঁইছুঁই স্কোর এনে দেওয়ার পথে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৪৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংস।

এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে রান তাড়ায় নেমে তামিম ইকবাল মারতে শুরু করে দিয়েছেন। ৩ ওভারেই বরিশালের রান হয়ে গেছে বিনা উইকেটে ৩২। তামিম ১১ বলে ৬ চারে ২৫ রানে ব্যাটিং করছেন, তাঁর ওপেনিং সঙ্গী তাওহীদ হৃদয় ব্যাট করছেন ৭ বলে ৭ রানে।