যা আগে কখনো পারেনি বাংলাদেশ, তা-ই হলো আজ

প্রথম ইনিংসে শেখ মেহেদীর স্পিনে কাজটা অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। ১৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বাকি কাজটা করতে হতো লিটন দাসদের। লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম বলেই পারভেজ ইমনের উইকেট হারালেও পথ হারায়নি বাংলাদেশ। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ১ চার ৬ ছক্কায় ৪৭ বলে ৭৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে হেসেখেলেই ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। 

আর তাতেই ইতিহাস লেখা হয়ে গেছে লিটন দাসদের। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর আগের ইতিহাস থাকলেও এতদিন অধরা ছিল সিরিজ জয়। কলম্বোতে আজ জিতে এই প্রথমবার লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।
 
৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে লঙ্কানদের আগেই ১৩২ রানের ভেতর বেঁধে ফেলার দৃশ্যপট তৈরি করে দিয়েছিলেন স্পিনার শেখ মেহেদী। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে প্রথম বলেই নুয়ান থুসারার বলে গোল্ডেন ডাকে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন ইমন। শূন্য রানে বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারালেও পাওয়ার প্লে-তে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন লিটন দাস ও ওপেনার তামিম। এ জুটি মিলে পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারের মধ্যে ৪৭ রান তুলে লঙ্কানদের কাছ থেকে শুরুতেই খেলা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন।

এরপর মাঝ ওভারে শুরু হয় তামিমের ছক্কা-বৃষ্টি। একের পর এক লঙ্কান স্পিনারদের বাউন্ডারিছাড়া করেছেন তামিম। মাঝপথে নবম ওভারে কামিন্দু মেন্ডিসের স্পিনে ২৬ বলে ৩২ রান লিটন দাস ফিরলেও বাংলাদেশের রানের গতি থামতে দেননি তামিম। 

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দশম ওভারেই নিজের ফিফটির দেখা পেয়ে যান তামিম। ২৭ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় ফিফটি তুলে নেন তামিম। এরপর লঙ্কানরা আর সুবিধা করতে পারেনি। চারে নামা তাওহীদ হৃদয়ও ২৫ বলে ২৭ রানের ইনিংসে তামিমকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন। পরিস্থিতির দাবি মেনে খেলেই শেষ পর্যন্ত ২১ বল হাতে রেখে জিতে গেছে বাংলাদেশ।