বলিভিয়ার লা পাজ প্রতিপক্ষের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন মাঠগুলোর একটি। এমন এক ম্যাচে লিওনেল মেসিকে শুধু একাদশ নয় স্কোয়াডেরই বাইরে রেখেছিলেন কোচ লিওলেন স্কালোনি। সর্বশেষ ম্যাচে যার ফ্রি-কিক গোলই আর্জেন্টিনাকে স্বস্তির জয় এনে দিয়েছে, তাঁকে ছাড়া এত কঠিন এক ম্যাচে নেমেও ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
অন্যদিকে ব্রাজিলের হয়ে ঠিকই মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। আগের ম্যাচে দুই গোল আর এক এসিস্ট করা নেইমার হতাশ করলেও শেষ মুহূর্তে মারকিনিওসের গোল ব্রাজিলকে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট এনে দিয়েছে।
গত সপ্তাহেও ইকুয়েডরের বিপক্ষে একাদশে ছিলেন না মেসি। তবে বদলি নেমে ফ্রি কিক থেকে ম্যাচের একমাত্র গোল ঠিকই করেছেন। ম্যাচের পরই স্কালোনি বলেছিলেন, অস্বস্তি বোধ করছেন মেসি। আর মেসি বলেছিলেন, ‘একটু ক্লান্ত’ তিনি।
গতকাল মেসিকে স্কোয়াডেই রাখেননি স্কালোনি। কারণ, ‘লিও খেলার জন্য প্রস্তুত না। গতকাল সে নড়াচড়ার চেষ্টা করেছে কিন্তু আরাম পায়নি। আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। কারণ, আরও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আছে। আর এটা কঠিন ম্যাচ ছিল, বদলি নামলেও চোটের ঝুঁকি ছিল।’
মেসিকে ছাড়াও অনায়াস জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ৩১ মিনিটে এনসো এরনান্দেস গোল করেন। ৩৯ মিনিটে বলিভিয়ার রবের্তো এরনান্দেস লাল কার্ড দেখলে কাজটা সহজ হয়ে যায় আর্জেন্টিনার জন্য। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। ৮৩ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন নিকোলাস গন্সালেস।
ওদিকে পেরুর বিপক্ষে ধুঁকেছে ব্রাজিল। নেইমারের ওপর নির্ভরশীল দলটি আগের ম্যাচে গোল উৎসব করলেও কাল গোল পেতে ৯০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। কারণ, নেইমার কাল প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনন।
১৫ মিনিটে একবার জালে বল পাঠান রাফিনিয়া, কিন্তু তা অফসাইডে বাতিল হয়। ১৫ মিনিট পর হিশার্লিসনও অফসাইডের কারণে হতাশ হন। ৯০ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে মারকিওসের হেড ব্রাজিলকে পয়েন্ট খোয়ানোর হাত থেকে বাঁচায়।