গতকাল রাতে ১৫তম চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে রেয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের প্রথমার্ধে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড দাপট দেখালেও দ্বিতীয়ার্ধে দানি কারভাহাল ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে জয় পেয়েছে মাদ্রিদ। আর এ জয়ে দুর্দান্ত সব রেকর্ড গড়েছে মাদ্রিদের খেলোয়াড় ও কোচ।
২৩ বছর ৩২৫ দিন
রোনালদো নিজের প্রথম চ্যাম্পিয়ন লিগ জিতেছেন ২৩ বছর পূর্ণ হওয়ার পর। পরের বছর আরেকটি ফাইনাল খেললেও হেরে গেছেন লিওনেল মেসির বার্সেলোনার কাছে। ২০১১ সালেই নিজের তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন মেসি। এবং সে ফাইনালে গোল করে সবচেয়ে কম বয়সে দুই ফাইনালে গোল করার রেকর্ড গড়েছিলেন মেসি (২৩ বছর ৩৩৮ দিন)।
২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া নেইমারের পক্ষে এই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ ছিল, যদি প্রথম দুই মৌসুমেই চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলতে পারতেন। কিন্তু প্রথম ফাইনাল জিততেই ২৩ পার করে ফেলা নেইমার পরের ফাইনালে উঠতে উঠতে ২৮ পেরিয়ে যান।
মেসির সে রেকর্ড গতকাল ভেঙে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ২০২২ ফাইনালে তাঁর একমাত্র গোলেই জিতেছিল মাদ্রিদ। গতকালও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেছেন ২৩ বছর ৩২৫ দিন বয়সী ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।
২২
চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব নয়, নকআউটেই প্রভাব রাখতে পছন্দ করেন ভিনিসিয়ুস। এ পর্যন্ত নকআউট পর্বে ১১টি গোল ও ১১টি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। ২৪ পূর্ণ হওয়ার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউটে ২৪ হওয়ার আগে ২২টি গোলে অবদান শুধু মেসিরই ছিল।
৮
গতকাল ফাইনালে মাদ্রিদের সেরা আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় ছিলেন ভিনিসিয়ুস। একটি গোল ছাড়াও প্রথম গোল এনে দেওয়া কর্নারটিও তাঁর সুবাদে এসেছে। ম্যাচে মোট আটটি ড্রিবল করেছেন ব্রাজিল তারকা। ২০১৫ সালে মেসির (১০) পর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে সর্বোচ্চ ড্রিবল এটি। মেসি ছাড়া ফাইনালে ভিনিসিয়ুসের চেয়ে বেশি ড্রিবল করেছেন শুধু রোনালদিনিও (১০)।
০
এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে কোনো ম্যাচ হারেনি মাদ্রিদ। ১৩ ম্যাচের ৯টিতে জয়, অন্য চার ম্যাচে ড্র করেছে স্প্যানিশরা। এই প্রথম কোনো মৌসুম অপরাজিত থাকল মাদ্রিদ।
ডন কার্লো
২০২২ সালে প্রথম কোচ হিসেবে চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের রেকর্ড গড়েছিলেন কার্লো আনচেলত্তি। এবার নিজের রেকর্ড আরেকটু সমৃদ্ধ করলেন (৫টি)। দুইয়ে আছেন বব পেইসলি, জিনেদিন জিদান ও পেপ গার্দিওলা। তবে এক ক্লাবেই তিন শিরোপা শুধু আনচেলত্তি, জিদান ও পেইসলিরই আছে।
মাদ্রিদ = বাকি+১
২০১৪ সাল থেকে গত ১১টি চ্যাম্পিয়নস লিগের ৬টিই জিতেছে মাদ্রিদ। বাকি পাঁচ শিরোপা পাঁচটি ভিন্ন দল জিতেছে।
শেষের রাজা
এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে ফাইনালের আগে কোনো ম্যাচই খেলেননি থিবো কোর্তোয়া। এর আগে এমন কিছু দেখা গেছে ২০১২ সালে। সেবার চেলসির হয়ে শুধু ফাইনালে দেখা গিয়েছিল রায়ান বেরট্রান্ডকে।