কানাডা জাতীয় দলের হয়ে দুই ম্যাচ খেলা সামিত সোম কদিন আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান। সামিতের সম্মতি পেয়েই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাঁকে বাংলাদেশের করে পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। সেই প্রক্রিয়ায় এবার অনেক দূর এগিয়ে গেল বাফুফে।
সামিতকে লাল-সবুজ জার্সিতে খেলানোর অন্যতম একটি ধাপ ছিল কানাডা ফুটবল ফেডারেশনের অনুমতি। আজ সকালে কানাডা ফুটবল ফেডারেশন থেকে সেই কাঙ্ক্ষিত অনাপত্তিপত্রটি পেয়েছে বাফুফে। ফলে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তোলার জন্য আরও একটি ধাপ এগিয়ে গেলেন সামিত।
এবার কেবল দুটি ধাপ পেরিয়ে গেলেই বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারবেন সামিত। যার একটি হলো বাংলাদেশি পাসপোর্ট, আরেকটি ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির অনুমোদন। জানা গেছে, কয়েকদিনের মাঝেই পাসপোর্টের কাজটা সেরে ফেলতে কানাডা হাই কমিশনে যাবেন সামিত।
বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম আজ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, কানাডার ফুটবল ফেডারেশন তাদের চিঠিতে সামিত কানাডা জাতীয় দলের হয়ে দুই ম্যাচে কত মিনিট, কোন প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলেছেন এর সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছে। আগামীকাল সামিত পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এ-ও জানিয়েছেন, ১০ জুন ঢাকায় সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে সামিতকে খেলানোর ব্যাপারে বাফুফে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
সামিতের পাসপোর্ট আগামী সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে যাবে বলে আশায় আছে বাফুফে। এরপর ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির অনুমতির অপেক্ষা। যদিও সেটি শেষ হয়ে সামিত বাংলাদেশের হয়ে খেলার অনুমতি পেলেও তা জুনে সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। ফিফায় প্রক্রিয়াটা শেষ হতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যায়, কখনো কখনো এক মাসের বেশি সময়ও লেগে যেতে পারে। সিঙ্গাপুর ম্যাচের জন্য দল ঘোষণার আগে তা হওয়ার সম্ভাবনা তাই কম বলেই ধরে নিতে হচ্ছে।
হয়ে গেলে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের অনেকদিনের আশাটা পূরণ হবে আর কী! সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে সব ঠিক থাকলে হামজা তো খেলবেনই, প্রথমবারে ইতালি থেকে দুবাইয়ে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেওয়ার পরও কোচ দলে সুযোগ না পাওয়া ফরোয়ার্ড ফাহামেদুলকেও বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে আবার ডাকবেন বলে জানা গেছে। সে দুজনের পাশাপাশি মাঝমাঠে হামজার পাশে সামিতকেও দেখার আশায় বাংলাদেশ।