টটেনহ্যামের জন্য আশার আলো হয়ে এসেছিলেন আঞ্জ পস্তেকগলু। যার হাত ধরেই ২০০৮ সালের পর প্রথম কোনো মেজর শিরোপা জিতেছে ইংলিশ ক্লাবটি। গত মাসেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ইউরোপা লিগের ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর শিরোপা ছুঁয়ে দেখে ক্লাবটি। এমনকি ১৯৮৪ সালের পর এটাই টটেনহ্যামের প্রথম ইউরোপিয়ান ট্রফি।
এতদিন পর শিরোপা এনে দিয়েও ইংলিশ ক্লাবটির মনে জায়গা করে নিতে পারলেন না আঞ্জ পস্তেকগলু, উল্টো পেয়েছেন শাস্তি। শিরোপা জয়ের দুই সপ্তাহ পরেই তাঁকে বরখাস্ত করেছে টটেনহ্যাম।
গতকাল রাতে (৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে পস্তেকগলুকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথা জানিয়েছে ক্লাবটি।
এক বিবৃতিতে পস্তেকগলুর বরখাস্তের বিষয়টি টটেনহ্যাম স্পার্সের বোর্ড কর্তৃক ‘সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইউরোপা লিগের শিরোপা এনে দিলেও পস্তেকগলুর অধীনে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে ক্লাবটি। ৩৮ ম্যাচের লিগে ২২টি হেরে ১৭তম স্থানে থেকে ইপিএল শেষ করেছে টটেনহ্যাম।
আর তাতেই বরখাস্তের মতো শাস্তি পেলেন পস্তেকগলু। কোচকে অব্যাহতি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে টটেনহ্যাম লিখেছে, ‘গত দুই বছরে ক্লাবের প্রতি আঞ্জের প্রতিশ্রুতি এবং অবদানের জন্য আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। অ্যাঞ্জকে ক্লাবের ইতিহাসের তৃতীয় ইউরোপীয় ট্রফি জয়ী ম্যানেজার হিসেবে সর্বদা স্মরণ করা হবে।’
বরখাস্ত হলেও বিদায়বেলায় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে আঞ্জ বলেছেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে ক্লাবের প্রাণ আমাদের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি জানি কিছু কঠিন সময় গেছে, কিন্তু আমি সবসময় অনুভব করেছি যে ওরা আমার সফলতা চেয়েছে, এবং সেটাই আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেরণা দিয়েছে।’