ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছে। যার নেপথ্যে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা। আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার কথা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে কি না তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জেরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহত হওয়ার পর জাতীয় দল আদৌ যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে পারবে কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।
‘এই হামলার পর আমরা আশাবাদী হয়ে বিশ্বকাপের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারি না, এটুকু নিশ্চিত’- ক্রীড়া পোর্টাল ভারজেশথ্রি-কে বলেন ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ।
বিশ্বকাপে ইরান ‘গ্রুপ জি’-তে রয়েছে। সূচি অনুযায়ী, তারা ১৫ জুন ও ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে। এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে খেলবে মিশরের বিপক্ষে।
ইরান বিশ্বকাপ বয়কট করলে বা নিজেদের সরিয়ে নিলে কী হতে পারে?
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ইরান যদি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ায়, তাহলে ফিফা বিকল্প দল মনোনয়ন দিতে পারবে। সাধারণত একই মহাদেশীয় কনফেডারেশন থেকে দল নেওয়ার প্রবণতা থাকলেও, এটি বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ফিফার।
এশিয়া থেকে ইতিমধ্যে আটটি দল সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছে। ইরান না খেললে সম্ভাব্য তালিকায় সবার আগে আসবে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
তবে ইরাক এখনও আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ জিততে পারলে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পেতে পারে। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত এশিয়ান বাছাইপর্বে নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হয়ে অতিরিক্ত প্লে-অফে অংশ নেয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইরাকের কাছে হেরে যায়। তবু, এশিয়া থেকে বিশ্বকাপ না খেলার সুযোগ পাওয়া দলগুলোর মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আমিরাত।
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।