আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়েছেন লিওনেল মেসি। তবে তাঁকে নিয়ে এখন বিতর্কও ছড়িয়েছে।
সমালোচকেরা বলছেন, হ্যাটট্রিকের অনেক আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হত মেসিকে। রেফারির বদান্যতায় কি বেঁচে গেলেন লিও?
ঘটনাটি ঘটে মেসির প্রথম গোলের পর। আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্ডির পায়ে বল ছিল। মেসি তাঁর থেকে খানিকটা দূরে ছিলেন। বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল মান্ডির পায়ে। হঠাৎ খানিকটা দৌড়ে গিয়ে বল কাড়ার চেষ্টা করেন মেসি। পেছন থেকে ফাউল করেন তিনি। রেফারি সিমন মার্সিনিয়াক ফাউল দিলেও কোনও কার্ড দেখাননি। হলুদ কার্ডও না।
পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, মান্ডির ডান পায়ের কাফ মাসল ও আখিলিস টেন্ডনের মাঝে মেরেছেন মেসি। তাঁর বুটের স্টাড ওপরের দিকে ছিল। ফুটবলের নিয়ম, কোনও ট্যাকলের ক্ষেত্রে বুটের স্টাড দেখা গেলেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারিরা।
মেসি যেখানে মেরেছেন, সেখানে লাগলে বড় চোট পেতে পারেন ফুটবলারেরা। তাই এই ধরনের ফাউলের ক্ষেত্রে সরাসরি লাল কার্ডও দেখাতে পারেন রেফারিরা। কিন্তু পোল্যান্ডের রেফারি কোনও কার্ডই দেখাননি।
এই ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মেসির সেই ট্যাকলের ছবি ও ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল।
অনেকের মতে, মেসি ছিলেন বলেই রেফারি হয়তো কার্ড দেখাননি। অন্য কেউ সেই ফাউল করলে অন্তত হলুদ কার্ড দেখতেন। মেসির সঙ্গে পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে বলেও সোচ্চার হয়েছেন অনেকে।
অবশ্য সেই সুযোগ কাজে লাগান মেসি। পরে আরও দুটি গোল করেন তিনি। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন। বিশ্বকাপে এখন তাঁর গোলের সংখ্যা ১৬।