বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া হাইভোল্টেজ ম্যাচ আগামীকাল। রোনালদো-মদ্রিচ লড়াই দেখতে মুখিয়ে ফুটবল বিশ্ব। কানাডার টরন্টোতে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় কাল ভোর ৫টায়। এর আগে রাত ১টায় স্পেনের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। আর সকাল ৯টায় মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড-আলজেরিয়া।
রোনালদো, নাকি মদ্রিচ; বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন শেষ হবে কার? রিয়ালে এক সময় ক্রোয়াট অধিনায়কের পাসে যেখানে গোল করতেন সিআর সেভেন, এক সঙ্গে খেলেছেন ২২২ ম্যাচ, বিশ্ব আসরে সে বন্ধুই এখন শত্রু।
ক্লাব আর আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ৯৭৫ গোল রোনালদোর। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের নকআউটে একবারও লক্ষ্যভেদ করা হয়নি। আরও একবার আক্ষেপ ঘুচানোর সুযোগ। ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়ারা সামর্থ্যের সেরাটা দিতে মুখিয়ে।
পর্তুগালের হেড কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বলেন, ‘ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ দিয়ে যেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শুরু করছি। রোনালদো আর মাদ্রিচ দুজন বয়সকে শুধু মাত্র সংখ্যা বানিয়ে ফেলেছে। তারা তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা।’
মিডফিল্ডে মদ্রিচের সঙ্গে শুরুর একাদশে থাকবেন কোভাসিচ। ক্রোয়াটদের আক্রমণে ভরসা অভিজ্ঞ পেরিসিচ। রোনালদোকে থামাতে ভারদিওলের পাশাপাশি সুতাওলের ওপর দায়িত্ব থাকবে।
ক্রোয়েশিয়ার হেড কোচ জ্লাতকো দালিচ, ‘পর্তুগাল দুর্দান্ত দল। ওদের বিপক্ষে ছোট কোনো ভুল, বড় বিপদের কারণ হতে পারে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। মিডফিল্ড যারা ডমিনেট করবে, তারাই জিতবে।’
এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট স্পেন। কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্রয়ের পর টানা দুই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই দ্বিতীয় রাউন্ডে। ধারাবাহিকতা রাখতে মরিয়া লা রোহারা। অস্ট্রিয়াকে হারাতে ইয়ামাল-পেদ্রিদের ওপর ভরসা কোচ দে লা ফুয়েন্তের।
স্পেনের হেড কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘অস্ট্রিয়া দারুণ করছে। ওদের হালকা ভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। শেষ ষোলো নিশ্চিতে ছেলেদের সেরাটা দিতে হবে। ইয়ামাল এখন পুরোপুরি ফিট। দলের জন্য এটা বড় স্বস্তি।’
এর আগে বিশ্ব আসরে একবারই মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রিয়া-স্পেন। ১৯৭৮ সালের সে লড়াইয়ে জয়োল্লাস করেছিল অস্ট্রিয়া। সে জয় আলাবাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।