আর্জেন্টিনার আজ কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই, ভরসা মেসির উড়ন্ত ফর্ম

বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই আর্জেন্টিনার। প্রতিপক্ষ মিশর ইতিহাস গড়তে মুখিয়ে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের পর ডিফেন্স নিয়ে চিন্তায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ভরসা মেসির উড়ন্ত ফর্ম। লড়াই জমতে পারে সালাহর সঙ্গে। আটালান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়।

গ্রুপপর্বে আর্জেন্টিনার ডিফেন্স তেমন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েনি। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে কেপ ভার্দের বিপক্ষে জিতলেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ঘাটতি দেখা গেছে। মিশরের বিরুদ্ধে ছোট ভুলে সালাহ-মারমোশ বিপদে ফেলতে পারেন। ডিফেন্সে শতভাগ মনোযোগ ধরে রাখা জরুরি। 

মিডফিল্ডাররাও সেরা ছন্দে নেই। দে পল ধারাবাহিক হলেও বাকিরা সাদামাটা। সবশেষ ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন এনজো। তবে দে পল, এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টারের ওপরই হয়তো আস্থা রাখবেন স্কালোনি। বদলি হিসেবে নামতে পারেন পারেদেস।

আক্রমণে ঘুরে ফিরে ভরসা, ওই এক মেসি। লাওতারো সবশেষ মৌসুমে ইন্টারের হয়ে দারুণ করলেও, জাতীয় দলের জার্সিতে একদমই অচেনা। চোট থেকে ফেরা আলভারেজ নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।

আর্জেন্টিনার হেড কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, দিন দিন আরও কঠিন হচ্ছে বিশ্বকাপ। কোন দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। এবারের আসরে সেভাবে কোনো দলকে ফেভারিটও বলা যাচ্ছে না। গত ম্যাচের ভুল শুধরে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

প্রথমবার নকআউটের টিকিট কেটে ইতিহাস গড়েছে মিশর। দ্বিতীয় রাউন্ডে টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফারাওদের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। সালাহকে ঘিরে তাদের পরিকল্পনা। মেসিকে আটকানোর পরীক্ষা ফাতি-ইব্রাহিমদের। আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্বপ্নযাত্রা চালিয়ে যেতে চায় আফ্রিকান দলটি। 

মিশরের হেড কোচ হোসাম হাসান বলেন, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। হ্যাঁ আর্জেন্টিনাকে অবশ্যই সম্মান করি, কিন্তু ওদের ভয় পাই না। ওদের মেসি থাকলে, আমাদের সালাহ আছে। আর্জেন্টিনাকে হারাতে ছেলেরা নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত।

২০০৮ সালে প্রীতি ম্যাচে মিশরকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দুদল মুখোমুখি প্রথমবার।