ফাইনালে দি মারিয়ার জোড়া গোল, শিরোপা জিতল তাঁর দল

আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলে আনহেল দি মারিয়া গোল করবেন, সেটা ছিল প্রায় নিয়মিত ঘটনা! তবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে দি মারিয়ার পথচলা থেমেছে ২০২৪ সালে। তাই বলে পেশাদার ফুটবলকে ছেড়ে দেননি ৩৮ বছর বয়সী এ তারকা। খেলে যাচ্ছেন শৈশবের ক্লাব রোসারিও সেন্ট্রালে।

ক্লাব ফুটবলেও ফাইনালে গোল করার কীর্তি ধরে রেখেছেন দি মারিয়া। গতকাল শনিবার রাতে ইন্টারন্যাশনাল সুপারকাপের ফাইনালে এস্তুদিয়ান্তেসের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন তিনি। দি মারিয়ার জোড়া গোলে ম্যাচটা ৩-১ গোলে জিতেছে রোসারিও সেন্ট্রাল। একই সঙ্গে শিরোপার স্বাদও পেয়েছে দলটি। 

শেষটা জয় দিলেও রোসারিওর জন্য শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল হজম করেছিল তারা। ২৩ মিনিটে দারুণ এক ফ্রি কিকে গোল করে রোসারিওকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক দি মারিয়া। তাঁর শট এস্তুদিয়ান্তেসের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার বাঁ দিকের ওপরের কোণায় গিয়ে জালে জড়ায়।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে আসে ম্যাচের সবচেয়ে বিতর্কিত মুহূর্ত। এনসো কোপেত্তি বক্সের ঠিক বাইরে লেয়ান্দ্রো গনসালেস পিরেসের সঙ্গে সংস্পর্শে পড়ে যান। ভিএআর থেকে রেফারি দারিও হেরেরাকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়। রিপ্লে দেখে তিনি রোজারিও সেন্ট্রালকে পেনাল্টি উপহার দেন। ওই পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় জালে বল জড়িয়ে স্কোরলাইন ২-১ করেন দি মারিয়া।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে বদলি হিসেবে মাঠ ছাড়েন দি মারিয়া। অধিনায়কের অনুপস্থিতিতেই শেষদিকে রোসারিও সেন্ট্রাল আরও একটি গোল পায়। যোগ করা সময়ে ওই গোলটি করেন হুলিয়ান ফের্নান্দেস। তাতে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোসারিও সেন্ট্রাল।

গোলের পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়। ম্যাচের শেষটা তাই রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ম্যাচের শেষ দিকের ঝামেলা নিয়ে দি মারিয়া বলেছেন, ‘এটা দুঃখজনক। যা ঘটেছে, তার জন্য আমরা কিছুই করিনি। তাদের হয়তো নিজেদের ব্যাখ্যা আছে।’