তিন বছর আগে ইউরোপ ছেড়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। সেই থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে আর দেখা যায় না আর্জেন্টিনার সাবেক অধিনায়ককে। তবে মেসি না খেললেও প্রায় নিয়মিতই চ্যাম্পিয়নস লিগের বিভিন্ন খবরের শিরোনামে উঠে আসে মেসির নাম।
গতকাল বুধবার রাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। দুটি ভিন্ন ম্যাচের ঘটনায় বর্তমান সময়ের দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হলান্ডের কীর্তিতে আবারও মেসির নাম উঠে এসেছে। গতকাল রাতে দুজনে মেসির দুটি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। হলান্ড গড়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে কম ম্যাচে ৬০ গোলের কীর্তি। অন্যদিকে ইউরোপ সেরার এ টুর্নামেন্টে কম বয়সে ১০০ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে। এ দুটি রেকর্ডেই ছিল মেসির দখলে।
গতকাল রাতে ইতালিয়ান ক্লাব রোমার মাঠে খেলতে নেমেছিল রেয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের ৮১ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা মাদ্রিদ শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। এ ম্যাচে একটি গোল করেছেন এমবাপ্পে। আর এটি ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগে ফরাসি তারকার ১০০তম ম্যাচ।
এ ম্যাচ খেলার সময় এমবাপ্পের বয়স ছিল ২৭ বছর ২৯৮ দিন। এত কম বয়সে চ্যাম্পিয়নস লিগে শততম ম্যাচ খেলতে পারেননি আর কেউ। আগের রেকর্ডটি ছিল মেসির। আর্জেন্টাইন মহাতারকা চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ১০০তম ম্যাচ খেলেছিলেন ২৮ বছর ৮৪ দিনে।
শুধু এমবাপ্পের কাছেই নয়, হলান্ডের কাছেও একটি রেকর্ড হাতছাড়া হয়েছে মেসির। পিএসজির কাছে ম্যান সিটির ৪-২ গোলে হারের ম্যাচে ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে জোড়া গোল করেন হলান্ড। তাতে ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে ৬০ ম্যাচে ৬১ গোল হয়ে গেল নরওয়েজিয়ান তারকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে কম ম্যাচে ৬০ গোল করা ফুটবলার এখন হলান্ড।
আগে এই রেকর্ডটি ছিল মেসির (৮০ ম্যাচে) দখলে। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির চেয়ে ২০ ম্যাচ কম খেলেই রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন হলান্ড। শুধু ম্যাচের দিক থেকে নয়, বয়সের দিক থেকেও মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন হলান্ড। চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি ৬০তম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ২৬ বছর ৮৬ দিনে। মেসির চেয়ে ১ দিন কম বয়সে সেই কীর্তি গড়লেন হলান্ড।