টেনিস কোর্টে একের পর এক নিজের নামের পাশে নতুন কীর্তি যোগ করে যাচ্ছেন। চলতি বছরে টানা দুটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। এবার ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় আসর অলিম্পিকেও প্রথমবার খেলতে নেমেই ইতিহাস গড়লেন কার্লোস আলকারাস।
২১ বছর এই স্প্যানিয়ার্ড এবার অলিম্পিকের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ তারকা হিসেবে ফাইনালে উঠেছেন। এটা অবশ্য ১৯৮৮ অলিম্পিকে আবার টেনিস ফেরত আসার পরের হিসাব, মাঝে ১৯২৪ অলিম্পিকের পর থেকে ৮৮-র আগ পর্যন্ত অলিম্পিকে টেনিস ছিল না। টেনিস ফেরত আসার আগে-পরের সময় মিলিয়ে হিসাব করলে অবশ্য আলকারাস দ্বিতীয়, তাঁর ১৯০৪ অলিম্পিকে রবার্ট লেরয় আরও কম বয়সে অলিম্পিক টেনিসে ছেলেদের এককের ফাইনালে উঠেছিলেন।
আজ প্যারিসে পুরুষ এককের ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে কানাডার ফেলিক্স অগার-আলিয়াসিমেকে সরাসরি সেটে হারিয়েছেন। মাত্র ৭৫ মিনিটেই কানাডিয়ান তারকাকে ৬-১, ৬-১ গেমে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন আলকারাজ।
তা এই জয়ে ফাইনালে উঠে একটা কীর্তি তো গড়েছেন, অন্যদিকে স্পেনেরই কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের একটা রেকর্ডের আর এক ধাপ দূরত্বে চলে গেছেন আলকারাস। ২০০৮ সালে নাদাল ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডনের পর অলিম্পিকে সোনা জয়ের কীর্তি গড়েছিলেন। আলকারাস এরই মধ্যে এ বছরের ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডন জিতেছেন, অলিম্পিক সোনার এক ধাপ দূরত্বেও চলে এসেছেন।
সে পথে ফাইনালে আলকারাস প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে পাবেন, সেটি ঠিক হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নোভাক জোকোভিচ-লরেনসো মুসেত্তির লড়াইয়ে। যেখানে স্বাভাবিকভাবেই ফেবারিট জোকোভিচ। সার্বিয়ান তারকা তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম স্বর্ণের খোঁজে আছেন। ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে পাওয়া ব্রোঞ্জের পর আর কোন অলিম্পিকে পদক পাননি জোকোভিচ।