সিনারের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় জোকোভিচের

আট বছরে প্রথমবার এমন দিন দেখলেন তিনি

গতকাল শুক্রবার উইম্বলডনের প্রথম সেমিফাইনালে টেইলর ফ্রিটসকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন কার্লোস আলকারাস। বিশ্বব্যাপী টেনিস প্রেমীদের নজর ছিল অন্য সেমিফাইনালের দিকে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর খেলোয়াড় ইয়ানিক সিনারের মুখোমুখি হয়েছিলেন নোভাক জোকোভিচ।

৭টি উইম্বলডন ক্যারিয়ারে ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন সার্বিয়ান কিংবদন্তি। পুরুষ এককে এটি সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড। তবে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে রেকর্ডটা যৌথভাবে মার্গারেট কোর্টের সঙ্গে ভাগাভাগি করছেন জোকোভিচ।

রেকর্ডটা পাকাপাকিভাবে নিজের করে নেওয়ার জন্য মাত্র দুই ধাপ দূরে ছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এ সার্বিয়ান মহাতারকা। কিন্তু সেখান থেকে দূরত্ব আর কমাতে পারেননি জোকোভিচ। গতকাল ছেলেদের এককের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সিনারের কাছে ৬-৩, ৬-৩, ৬-৪ গেমে হেরে গেছেন তিনি। এতে উইম্বলডনে সর্বশেষ আট বছরে এই প্রথমবার ফাইনালে উঠতে পারলেন না জোকোভিচ।

জোকোভিচের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে প্রথমবারের মতো উইম্বলডনের ফাইনালে উঠলেন সিনার। টুর্নামেন্টের ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচে আগামী রোববার আলকারাসের মুখোমুখি হবেন ২৩ বছর বয়সী এ ইতালিয়ান। এর আগে চলতি বছরের ফ্রেঞ্চ ওপেনেও আলকারাসের মুখোমুখি হয়েছিলেন সিনার। তবে সে ম্যাচে সিনারকে হারিয়ে শিরোপা জেতেন আলকারাস।  সিনারের জন্য এবারের ম্যাচটি তাই প্রতিশোধের। অন্যদিকে আলকারাসের জন্য উইম্বলডনে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তোলার।

গতকাল সেন্টার কোর্টে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সিনারের কাছে বলতে গেলে পাত্তাই পাননি জোকোভিচ। ম্যাচ জুড়ে দাপট দেখানো সিনারের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয়েছে মোটে ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। সে লড়াইয়ে  ৬-৩, ৬-৩, ৬-৪ গেমে জিতে যান সিনার। তাতে নিশ্চিত হয়ে যায়, আগামী রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছেন এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দুই তারকা।