বাদ পড়লেন ভেনাস

বড় মঞ্চে ফিরে ২ ঘণ্টায়ই শেষ তাঁর লড়াই

১৪ মাসের বিরতি কাটিয়ে গত জুলাইয়ে ওয়াশিংটন ওপেনের ম্যাচ দিয়ে টেনিসে প্রত্যাবর্তন ভেনাস উইলিয়ামসের। ৪৫ বছর বয়সে কোর্টে ফিরলেও এলিট টেনিসে টিকে থাকতে পারবেন কি না, এ নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।

এর মধ্যেই ইউএস ওপেনে খেলতে নামেন নারী এককে সাতবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী এ তারকা। এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১তম বাছাই কারোলিনা মুখোভার বিপক্ষে দুই ঘণ্টা লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত ৬-৩, ২-৬, ৬-১ গেমে হেরে টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়েছেন ভেনাস।

আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ভেনাস উইলিয়ামসের ম্যাচ ঘিরে দর্শক  উত্তেজনার কমতি ছিল না। অবশ্য দিনটা একদিক থেকে উইলিয়ামস বোনদের বড় জনের জন্য স্মরণীয়। ১৯৯৭ সালের ২৫ আগস্ট উদ্বোধন হয়েছিল এ স্টেডিয়ামটি। এর ঠিক একদিন পর ১৭ বছর বয়সী ভেনাস উইলিয়ামস প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেনের ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন আর্থার অ্যাশে। সেবার রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাঁকে। ঠিক ২৮ বছর পর আবারও ফিরলেন সেখানেই, কিন্তু এবার প্রথম রাউন্ডের বাধা অতিক্রম করতে পারলেন না।

প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারের গোধুলি লগ্নে নিজের চেয়ে ১৬ বছর কম বয়সী মুখোভার সঙ্গে শুরুতে তাল মেলাতে পারছিলেন না ভেনাস। একের পর এক ভুল করে পিছিয়ে পড়েন ০-২ গেমে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন বটে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রথম সেটটা হেরে যান ৬-৩ গেমে।

ভেনাস একটা করে পয়েন্ট জিতছিলেন, স্টেডিয়ামের গ্যালারি যে উল্লাসে ফেটে পড়ছিল। সেখান থেকেই হয়তো অনুপ্রাণিত হয়ে দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ান ভেনাস। মুখোভাকে তেমন সুযোগ না দিয়ে সেটটা জিতে নেন ২-৬ গেমে।

তবে তৃতীয় সেটে আর পেরে ওঠেননি এ আমেরিকান। ২৯ বছর বয়সী মুখোভার কাছে হেরে যান ৬-১ গেমে।

হেরেও ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানান ভেনাস। তবে এটাও স্বীকার করেছেন, পর্যাপ্ত ম্যাচ না খেলায় কিছুটা ভুগেছেন তিনি। ভেনাসের ভাষায়, ‘আমি খেলতে ভালোবাসি। আমার খেলার মান গত কয়েকমাসে উন্নত হয়েছে। যতটা সম্ভব, ছন্দে ফিরতে চেষ্টা করছি। কিন্তু মাত্র তিন-চারটা ম্যাচে সবকিছু সম্ভব নয়। কিছু শট মিস করেছি- অনুশীলনের চেয়ে অনুভূতি ব্যাপারটা বড় এখানে। আজ সেটা আমি ধরতে পারিনি।’