থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। কম্বোডিয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ জন। আর থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছে ৩ সেনা। এদিকে বিরোধপূর্ণ সীমান্তজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে নতুন সংঘাত। হামলা বন্ধ না হলে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সাথে শুল্ক আলোচনা স্থগিতের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
এতে বলা হয়, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে রোববার দুই পক্ষের সেনাদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। উবোন রাত-চাথানি প্রদেশের ন্যাম ইউয়েন জেলায় এই সংঘর্ষে থাইল্যান্ডের ১ সেনা নিহত ও ৮ জন আহত হন। এর জবাবে সোমবার বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় কম্বোডিয়ার সেনাদের ওপর বিমান হামলা চালায় থাইল্যান্ড। পরে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি হামলা। ঘটে হতাহতের ঘটনা।
নতুন করে সংঘাত শুরুর জন্য একে অপরকে দুষছে ব্যাংকক-নমপেন। তাছাড়া কম্বোডিয়ার সেনারা বেসমারিক নাগরিকদের লক্ষ্য কোরে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে সংঘাতপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা।
হামলা বন্ধ না হলে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সাথে শুল্ক আলোচনা স্থগিতের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে উত্তেজনা কমাতে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া উভয় দেশকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সীমান্তের চারপাশে বিমান হামলা ও ভারী সরঞ্জাম মোতায়েনের খবর দেখছি। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া উভয়কেই উত্তেজনা কমাতে ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানাই। এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সব প্রচেষ্টাকে সমর্থনে আমরা প্রস্তুত।’
জুলাইয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের সবশেষ ঘটনা এটি। ওই মাসে ৫ দিনের সংঘর্ষে দুই দেশে অন্তত ৪৮ জন নিহত এবং প্রায় ৩ লাখ বাসিন্দা সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়।