রায় এলো ভারতের আলোচিত কাঠুয়া ধর্ষণ মামলার। জম্মু-কাশ্মীরে আট বছর শিশু আসিফাকে ধর্ষণের পর হত্যায় এক পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন ও আলামত নষ্টের দায়ে ৫ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে আরো ৩ ব্যক্তির। এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সাবেক সরকারি কর্মকর্তা সানজি রাম।
শিশু আসিফাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিলো পুরো ভারত। সড়কে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সড়কে নামে জনতা।
পরে আলোচিত এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার চলে ক্যামেরা ট্রায়ালে। তেসরা জুন শুনানি শেষে, সোমবার দুই পক্ষকেই তলব করে পাঞ্জাবের পাঠানকোটের বিশেষ আদালত।
রায়ে তিন জনের যাবজ্জীবন ও অন্য তিন জনকে দেয়া হয়েছে ৫ বছর করে কারাদণ্ড। পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় খালাস পেয়েছেন একজন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মোবেন ফারুকি বলেন, অভিযুক্তদের সামনেই বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেছে আদালত। পরে রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে এক পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনকে যাবজ্জীবন এবং আলামত নষ্টের দায়ে ৩ পুলিশ সদস্যকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
প্রধান আসামি, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা সানজি রামের সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছেন তার ভাগ্নের বন্ধু প্রভেশ কুমার এবং পুলিশের বিশেষ কর্মকর্তা দীপক খাজুরিয়া। এছাড়া পুলিশ কর্মকর্তা সুরেন্দ্র ভার্মা, কনস্টেবল তিলক রাজ ও সাব ইনেস্পেক্টর আনন্দ দত্তের ৫ বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২৫ হাজার রুপির অর্থদণ্ড হয়েছে।
রায় ঘিরে আদালত চত্বরে মোতায়েন ছিলেন এক হাজার পুলিশ সদস্য। এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি।
২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি অপহরণের পর একটি মন্দিরে ধর্ষণ করা হয় ৮ বছরের শিশু আসিফাকে। ১৭ জানুয়ারি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় বিকৃত মরদেহ।
/এমবি/