১২০টি দেশের তালিকা আজ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোন কোন দেশের অভিবাসীদের পরিবারগুলোর মধ্যে কত শতাংশ আমেরিকার সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা নেয়, সেটি জানাচ্ছে এই তালিকা। ২৫ শতাংশের নিচে সহায়তা নেওয়া কোনো দেশের উল্লেখ নেই দেখে ধরে নেওয়া যাচ্ছে, শুধু ২৫ শতাংশ বা তার বেশি সহায়তা নেওয়া পরিবারগুলোর জাতীয়তা ধরেই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
সেই তালিকায় ১৯তম অবস্থানে বাংলাদেশের নাম। ট্রাম্পের প্রকাশ করা তালিকা জানাচ্ছে, বাংলাদেশের অভিবাসীদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি – ৫৪.৮ শতাংশ পরিবার আমেরিকার সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা নেয়।
সব সময় অভিবাসন-বিরোধী মানসিকতার প্রচার করা ট্রাম্প এমন সময়ে এই তালিকা প্রকাশ করেছেন, যখন মার্কিন অর্থনীতিতে এসব খাতে অনুদান কমানোসহ অভিবাসীদের জন্য আমেরিকায় থাকা কঠিন করে দেওয়ার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই তালিকায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, মায়ানমার, ভুটানের নাম থাকলেও ভারতের নাম নেই। ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, এর কারণ, ভারতীয়রা সরকারি সহায়তা খুব বেশি নেয় না। এমনকি ভারতীয়-আমেরিকান পরিবারগুলোর বার্ষিক আয় যুক্তরাষ্ট্রে মাঝামাঝি আয়ের সীমার ওপরের দিকেই থাকে। যে কারণে এই পরিবারগুলোর চিকিৎসা বা খাদ্যসহায়তার মতো সরকারি সহায়তা নেওয়ার দরকার পড়ে না বলে জানাচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
১২০ দেশের তালিকায় সবার ওপরের নামটি অবশ্য এশিয়ান দেশের – ভুটান। এই দেশটি থেকে আমেরিকায় অভিবাসী হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর ৮১.৪ শতাংশই আমেরিকান সরকারের সাহায্য-সহায়তা নেয় বলে দেখানো হচ্ছে ট্রাম্পের প্রচারিত তালিকায়। এরপর ইয়েমেন (৭৫.২%) ও সোমালিয়া (৭১.৯%)।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান আছে তালিকার ছয় নম্বরে (৬৮.১%), ইরাক আছে ১১তম অবস্থানে (৬০.৭%), মিয়ানমারের (৫৯.২%) অবস্থান ১৩তম, এরপরই বাংলাদেশ।
পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই হার ৪০.২ শতাংশ, চীন ৩২.৯ শতাংশ।