আমার পেশার চেয়ে বিপজ্জনক পেশা থাকতে পারে, তা ভাবতেও পারি না: ট্রাম্প 

আবারও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক নৈশভোজের আয়োজনে ঘটে যেতে পারত, ভয়বাহ সেই ঘটনা। হয়তো প্রাণ হারাতে পারতেন তিনিও। বন্দুকধারীর কাছ থেকে প্রাণে রক্ষার পর তাই নিজের পেশাকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে আখ্যা দিলেন ট্রাম্প।

২০২৪ সালের ১৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলার শহরে একটি নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বন্দুক হামলার শিকার হন তখনকার রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ট্রাম্প। সেবার কোনোমতে বেঁচে যান তিনি। এবার আবারও হামলা হলো তাঁকে লক্ষ্য করে।

বিবিসি বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি হোটেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজ ছিল। ওই আয়োজনে গুলি ছোড়ে এক ব্যক্তি। ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিক নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে।

পরে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ট্রাম্প জানান, এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের একজনের খুব কাছ থেকে গুলি লেগেছিল। তবে তিনি তার শরীরে পরিহিত ভেস্টের কারণে রক্ষা পেয়েছেন।

বিবিসি বলছে, গত কয়েক বছরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে এটি তৃতীয় গুলি চালানোর ঘটনা বা গুলি চালানোর চেষ্টা। এটি যেন একটা রীতিতে পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৩ জুলাই তারিখে পেনসিলভেনিয়ার বাটলার শহরে ২০ বছর বয়সী টমাস ক্রুকস ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। এবার আরেকটি গুলির ঘটনার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও ট্রাম্পকে বেশ উৎফুল্ল মেজাজে দেখা যাচ্ছে।

প্রতিবেদন বলছে, এবারের ঘটনায়, ট্রাম্প বিপদে পড়তে পারেন, তা তিনি বারবার ভেবেছেন বলেই মনে হচ্ছে। ব্রিফিং রুমে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারি না যে, এর চেয়ে বিপজ্জনক কোনো পেশা থাকতে পারে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য– যে তাঁর কাজটি স্বভাবতই বিপজ্জনক, তা যথার্থ। এবারের ঘটনাটি সেই একই হোটেলের ভেতরে ঘটেছে, যেখানে ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।