ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না: ট্রাম্পের দাবি

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকতে ইরান রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া, তেহরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল দেওয়ার তথ্যটি সঠিক নয় বলে জানান তিনি। এর আগে, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে ডিজিটাল সইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রাম্প।

যুদ্ধ বন্ধে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হলেও শান্তিচুক্তিতে কী রয়েছে তার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে সই করবে দুই দেশ।

এমন অবস্থায়, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকতে ইরান রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও ইরানি গণমাধ্যমগুলো বলছে, পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি সইয়ের পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনায়।

এ ছাড়া, তেহরানকে পুনর্গঠন তহবিল দেওয়ার তথ্যটি ভুয়া বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, চুক্তির শর্ত না মানলে এক পয়সাও পাবে না ইরান।

ভ্যান্স আরও জানান, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার পরিদর্শকরা ইরানে ফিরে যাবেন। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংসে সংস্থাটিকে সহায়তা করবে ওয়াশিংটন। এ ছাড়া, ৬০ দিনের আলোচনায় হরমুজে জাহাজ চলাচলে কোনো টোল নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

এর আগে, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে ডিজিটাল সইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রাম্প। এ সময়, শুক্রবারের পর যেকোনো সময় চুক্তির শর্তগুলো প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, চুক্তিটি সই হয়েছে। এ ছাড়া, হরমুজ প্রণালি এরই মধ্যে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, সেখানে পুঁতে রাখা মাইনগুলো খুঁজে পেতে তল্লাশি চলছে। তবে, জাহাজগুলো এখন বের হতে শুরু করেছে। শুক্রবারের মধ্যে প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে।’

এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইআরজিসির কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানি। এই যুদ্ধ ইসরায়েল সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে বলেও মত তাঁর।