পাকিস্তান-আফগানিস্তান উত্তেজনার প্রভাব পড়ছে চীনেও

পাকিস্তান-আফগানিস্তান উত্তেজনার প্রভাব এশিয়ার অনেক দেশের ওপরই পড়ছে। বিশেষ করে পাকিস্তানে চীনের গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ থাকায় এই সংকটে চাপে পড়েছে দেশটি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা এবং ভারতের সাথে আফগানিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে চীনের কৌশলগত অবস্থানকে জটিল করে তুলছে।

গত ১২ অক্টোবর সীমান্তে সংঘাতের পর থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। কাতারের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও ইস্তাম্বুলে পরবর্তী শান্তি আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।  

আফগানিস্তান সীমান্তের উত্তেজনা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর সিপিইসির নিরাপত্তায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে। হামলা বাড়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে চীনা বিনিয়োগ। 

অন্যদিকে আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদেও আগ্রহ রয়েছে চীনের। বিশ্লেষকেরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা চীনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও কৌশলগত পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের স্বার্থেই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে চায় চীন। তবে গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এ অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে অস্থিরতা বেড়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তান সরকারের মার্কিন ঘনিষ্ঠতা এবং আফগান তালেবানদের সাথে ভারতের সুম্পর্ক চীনের আঞ্চলিক সমীকরণে নতুন চ্যালেঞ্জ যোগ করেছে।