নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্প বলে ধারণা করা হলেও পরবর্তীতে ভূমিধসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগের কর্মকর্তাদের ধারণা, পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ধসে পড়ে বন্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বরফ গলে পড়ে থাকতে পারে। সেই বরফ গলা পানির সাথে পাথর ও পলিমাটি নিচে নেমে এসেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বন্যার কারণ খুঁজতে হিমবাহ হ্রদের পানি হঠাৎ নেমে যাওয়া, নদীর প্রবাহে বাধা এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টির তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, দীর্ঘমেয়াদি ভূকম্পন তরঙ্গের তথ্য পর্যালোচনায় ভূমিধস থেকেই ভূকম্পন সৃষ্টির প্রমাণ মিলেছে। অঞ্চলটিতে জলবায়ু পরিবর্তনে হিমবাহ গললেও, আকস্মিক বন্যার ঘটনায় এর ভূমিকা ছিল কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
স্পষ্ট স্যাটেলাইট ছবি পাওয়া গেলে এবং একাধিক উৎস থেকে তা যাচাই করা গেলে তবেই বন্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১৬২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন যাদের মধ্যে ৩৪১ জনই বিদেশি নাগরিক।