হিমবাহ ধসের পর এবার বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিপর্যস্ত হিমালয় কন্যা নেপাল। হিমবাহ ধসে দেড় হাজারের বেশি প্রাণহানির পর এবার বন্যা ও ভূমিধসে খাঁদের কিনারায় দেশটির পর্যটন খাত। প্রধান মহাসড়কগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ ভেঙে পড়েছে নেপালের অর্থনীতি।

নেপালের জন্য জন্য জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর কোনো হুমকি নয়, বরং নির্মম এক বাস্তবতা। হিমবাহ ধসে প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্যুর পর এবার ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস যেন অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে।

নেপালের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৮ শতাংশ। এই খাতের ওপরই নির্ভর করে অন্তত ১০ লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান।
 
তবে গত আগস্ট থেকে লাগাতার দুর্যোগে ধ্বংস হয়ে গেছে দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থা। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পর্যটন খাতে। 

সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর, নেপালে পর্যটনের ভরা মৌসুম। তবে এবার নিরাপত্তার শঙ্কায় বেশিরভাগ বিদেশি পর্যটকই তাদের সফর বাতিল করেছেন।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাজ্যে নেপাল ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্কতা করেছে। এতে চিতওয়ানের মতো পর্যটন এলাকায় বুকিং বাতিল হয়েছে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত। এমনকি যেসব এলাকা দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের বাইরে, সেগুলোতেও ভ্রমণে যেতে ভয় পাচ্ছেন পর্যটকরা।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কোভিডের পর এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপে লকডাউনের মুখে পড়তে যাচ্ছে নেপাল। আর এ অবস্থা গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে দেশটির অর্থনীতিকে।