ইরানে যুদ্ধ চলমান রাখতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল মুখে কঠোর ভাষা ব্যবহার করলেও, ভেতরে অনেকটাই নড়বড়ে অবস্থান তাদের। একদিকে সেনা সংকটে ইরান ও লেবাননে অভিযান চালানোর অক্ষমতার শঙ্কা প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। অন্যদিকে, সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতিতে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ রাখা সহায়তা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।
ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি সেনা সংকটের কারণে শিগগিরই সেনাবাহিনীর সাধারণ অভিযানের অক্ষমতার শঙ্কা প্রকাশ করেন।
এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে চাপের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। ঘাটতি দেখা দিয়েছে সামরিক সরঞ্জামের সরবরাহে। এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে সরবরাহের জন্য রাখা কিছু অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর অর্থায়নে কেনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। এতে করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এবং দেশটির মিত্রদের লড়াই চালিয়ে যেতে এবং জয় পেতে যা যা দরকার তা নিশ্চিত করবে পেন্টাগন।