শুধু জ্বালানি তেল? ইরানে যুদ্ধ চলতে থাকলে আরও যেসব ধাক্কা আসবে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। আইএমএফ সতর্ক করেছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে নতুন করে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়বে সাড়ে ৪ কোটি মানুষ। সোমবার বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বৈঠকে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি আরো কমার এবং মূল্যস্ফীতির বাড়ার পূর্বাভাস আসতে পারে।

কোভিড মহামারির পর ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত সহ নানা সংকটে বিভিন্ন দেশ। এর মাঝেই সোমবার ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বৈঠকে যোগ দিচ্ছে্ন নানা দেশের অর্থমন্ত্রী ও নীতি-নির্ধারকরা।

যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়ার পূবার্ভাস দিয়েছিলো সংস্থা দুটি। তবে ইরানে যুদ্ধ দ্রুত বদলে দেয় দৃশ্যপট। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে বিঘের কারণে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি আরো কমার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৪ থেকে কমিয়ে ৩.৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বিশ্বব্যাংক । যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এ হার ২.৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এসব দেশে মূল্যস্ফীতির হার বাড়িয়ে ৪.৯ শতাংশ করা হয়েছে। তা আরো বেড়ে ৬.৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

আইএমএফ সতর্ক করে বলছে, যুদ্ধ চললে সার সরবরাহ ব্যাহত হবে। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার শিকার হবে আরও প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ । মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় সরকারগুলোকে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ অর্থনীতি বিদদের।