আরাফাতের ময়দানে পবিত্র হজের খুতবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেছেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি। আজ খুতবায় তিনি তাকওয়া অবলম্বন, আল্লাহর আদেশ মেনে চলা এবং আখিরাতের প্রস্তুতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। খুতবা শেষে হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) দিনের শুরুতে লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা-শারিকা লাকা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে আরাফাত ময়দান। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা ১৫ লাখের বেশি হাজির অংশগ্রহণে এ বছর পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। এতে যোগ দিয়েছেন সৌদি আরবের আরও কয়েক লাখ মুসল্লিও।
এরপর দুপুরে আরাফাতের ময়দানে মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা দেন মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি। এসময় হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরেন তিনি। সেই সাথে মুসলিম উম্মাহকে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, খুতবা সম্প্রচারিত হয় বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টিরও বেশি ভাষায়। খুতবা শেষে হাজিরা মসজিদে নামিরাহে একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন।
সূর্যাস্তের পর হাজিরা যান প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায়। পথেই আবার এক আজানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেন। রাতে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাবেন হাজিরা
মুজদালিফা থেকেই মিনায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের জন্য কংকর সংগ্রহ করবেন হাজিরা। পরদিন ১০ জিলহজ অর্থাৎ বুধবার প্রথমে জামারাতে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন তাঁরা। এরপর পশু কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন করবেন লাখো হাজি।
এরপর মক্কায় পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা। সবশেষে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ইবাদত।